1. admin@bashundharatribune.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. editor@bashundharatribune.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
পাশ্চাত্য চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষিত ভারতবর্ষ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী চিকিৎসক কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় - Bashundhara Tribune
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

পাশ্চাত্য চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষিত ভারতবর্ষ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী চিকিৎসক কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়

শমিত জামান : সাংবাদিক ও কলামিষ্ট
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ২৮ জন দেখেছেন

পাশ্চাত্য চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষিত ভারতবর্ষ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী চিকিৎসক কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ৷

কাদম্বিনী গাঙ্গুলী ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দুই জন নারী স্নাতকের একজন এবং ইউরোপীয় চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষিত দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী চিকিৎসক । উনিশ শতকের শেষভাগে তিনি পাশ্চাত্য চিকিৎসায় ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আনন্দীবাঈ জোশীর সাথে তিনিও হয়ে ওঠেন ভারতের প্রথমদিককার একজন নারী চিকিৎসক ৷ সমাজসংস্কারক ব্রজকিশোর বসুর কন্যা কাদম্বিনীর জন্ম হয় ১৮ই জুলাই ১৮৬১ তে বিহারের ভাগলপুরে । তাঁর মূল বাড়ি ছিলো বরিশালের চাঁদশীতে ৷

বেথুন কলেজ থেকে প্রথম গ্র্যাজুয়েট হবার পর কাদম্বিনী দেবী সিদ্ধান্ত নেন ডাক্তারি পড়ার । ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে মেডিকেল কলেজে ঢোকার পরেই তিনি তাঁর শিক্ষক দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীকে বিয়ে করেন । দ্বারকানাথ বিখ্যাত সমাজসংস্কারক ও মানবদরদী সাংবাদিক হিসেবে খ্যাত ছিলেন । যখন তিনি বিয়ে করে তখন ৩৯ বছর বয়েসের বিপত্নীক, কাদম্বিনীর বয়স তখন ছিল একুশ । কাদম্বিনী ফাইন্যাল পরীক্ষায় সমস্ত লিখিত বিষয়ে পাস করলেও প্র্যাকটিক্যালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অকৃতকার্য হন । ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে তাকে জিবিএমসি (গ্র্যাজুয়েট অফ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ) ডিগ্রি দেওয়া হয় । তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি পাশ্চাত্য চিকিৎসারীতিতে চিকিৎসা করবার অনুমতি পান ।

১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে বোম্বে শহরে কংগ্রেসের পঞ্চম অধিবেশনে প্রথম যে ছয় জন নারী প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিলেন কাদম্বিনী ছিলেন তাদের অন্যতম একজন। পরের বছর তিনি কলকাতার কংগ্রেসের ষষ্ঠ অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন । কাদম্বিনী ছিলেন কংগ্রেসের প্রথম মহিলা বক্তা । কাদম্বিনী গান্ধীজীর সহকর্মী হেনরি পোলক প্রতিষ্ঠিত ট্রানসভাল ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সভাপতি এবং ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় অনুষ্ঠিত মহিলা সম্মেলনের সদস্য ছিলেন ৷ কাদম্বিনী চা বাগানের শ্রমিকদের শোষণের বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং তিনি তাঁর স্বামীর দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন করেন যিনি আসামের চা বাগানের শ্রমিকদের কাজে লাগানোর পদ্ধতির নিন্দা করেছিলেন । কবি কামিনী রায়ের সাথে কাদম্বিনী দেবী ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে বিহার এবং ওড়িশার নারীশ্রমিকদের অবস্থা তদন্তের জন্য সরকার দ্বারা নিযুক্ত হয়েছিলেন ।

কাদম্বিনী দেবী তিনি হিন্দু রক্ষণশীল সমাজের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন বহুবার, তবুও হাল ছাড়েননি ৷ তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের সবচেয়ে সফল এবং স্বাধীন ব্রাহ্ম নারী । তৎকালীন বাঙালি সমাজের অন্যান্য ব্রাহ্ম এবং খ্রিস্টান নারীদের চেয়েও তিনি অগ্রবর্তী ছিলেন । সকল বাধার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ হিসেবে নিজেকে জানার তাঁর এই ক্ষমতা তাঁকে সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজে নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলা জনগোষ্ঠীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎসে পরিণত করে ৷

আজ এই মহিয়সী নারী চিকিৎসকের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি জানাই অশেষ শ্রদ্ধা ও স্যালুট ৷
সুত্রঃ-
১। ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়নঃ- ১৮৫৭ থেকে ১৯৪৭।
২। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাসঃ- পূর্ব-পশ্চিম।
৩। রোর বাংলা।
৪। বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র।

( অনুলিখনঃ- শমিত জামান সাংবাদিক কলামিস্ট)

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
কপিরাইট © ২০২১ বসুন্ধরা ট্রিবিউন এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By Bongshai IT